নাইম আবদুল্লাহ
বিদেশবাংলা ২৪ডটকম'র সম্পাদক এবং অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মেদ আব্দুল মতিন ভোলা জেলা পরিষদের নব নির্বাচিত প্রশাসক আবদুল মোমিন টুলুর সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। বুধবার এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মত বিনিময় সভার শুরুতে ভোলা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মোহাম্মেদ আবদুল মতিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এরপর আধুনিক ভোলার বিভিন্ন উন্নয়নে নিয়ে আলোচনা করা হয়।
আলোচনাকালে ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক সম্প্রতি ভোলা সফরে আসা অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর কামরুল ইসলামের ভোলার উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক প্রযুক্তি বাস্তবায়নে দু’দেশের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনার কথা উল্লেখ করেন।
এরপর প্রশাষক আবদুল মোমিন টুলু জেলা পরিষদ চত্বরের সৌন্দর্য্যবর্ধন করে স্থাপিত পানির ফোয়রা, নানান রঙের মাছের চাষ, রঙবেরঙের আলোক সজ্জা, বিভিন্ন ফুলের বাগান, পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের ছবি তোলার জন্য স্থাপন করা অস্ট্রেলিয়ার অপেরা হাউজ ও হারবার ব্রিজের আদলে করা প্রতিকৃতি মোহাম্মেদ আবদুল মতিনকে ঘুরিয়ে দেখান।
আবদুল মোমিন টুলু জানান, ভোলার আধুনিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জেলা পরিষদ ভবন ও ইংরেজ আমলের ১৯৪০ সালে ছিল ডাকবাংলো। বর্তমানে এটাকে মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে পরিণত করা হয়েছে। এই চত্বরটি এখন আলোকমালায় শোভিত ও রঙিন ফোয়ারা ও অন্যপাশে জেলা পরিষদ পুকুরে পৌর মেয়রের দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা দর্শনার্থীদের বিমোহিত করে।
ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসক আব্দুল মমিন টুলু আরো বলেন, “জেলা পরিষদ চত্বরে দর্শনার্থীদের আগমন আমাকে অবিভূত করেছে। তাই জেলা পরিষদ চত্বরকে নতুনরূপে সাজানোর জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। এখানে সৌন্দর্য্য আরো বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা এখানে গ্রাম বাংলার পরিচিত মহিষ এর ভাস্কর্য, শাপলা ফুলের ভাস্কর্যসহ ভোলা ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আগত দর্শনার্থীরে কাছে তুলে ধরার জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়েছি।”
তিনি বলেন, “আমরা আশা রাখি খুব শিগগিরই এখানে অডিটরিয়ামসহ বাইরে থেকে আসা দর্শনার্থীদের জন্য থাকার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়াও শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইডস করা হবে। ভোলা জেলা পরিষদ ও পৌরভবন চত্বর হবে জেলাবাসীর বিনোদনের প্রধান কেন্দ্রেস্থল।”
< Prev | Next > |
---|