kashf6আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট নির্বাচনের আট দিন বাকি। নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ব্রেক্সিট আলোচনা নিয়ে বিপরীত অবস্থানে প্রধান দুইটি প্রতিদ্বন্দ্বী দল কনজারভেটিভ ও লেবার পার্টি। ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে বলেছেন, নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে বিচ্ছেদ চুক্তিতে উপনীত হতে না পারলে তিনি বরং কোনো চুক্তিই করবেন না। অন্য দিকে ক্ষমতায় গেলে একটি চুক্তিতে উপনীত হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন করবিন। ৮ জুন যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট নির্বাচন। ব্রেক্সিট নিয়ে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে বিভক্তি দেখা দেওয়ার পর ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র নয় মাসের মাথায় এপ্রিলে হঠাৎ করেই আগাম নির্বাচন পরিকল্পনার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী মে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, যুক্তরাজ্যের ইউরোপ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার (ব্রেক্সিট)প্রক্রিয়ায় দেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্বে ‘ম্যান্ডেট জোরদার’ করতেই মে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন। গত সোমবার স্কাই স্টুডিওতে নির্বাচন নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে সরাসরি দর্শকদের প্রশ্নের উত্তর দেন মে ও করবিন। টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত ওই অনুষ্ঠানে মে বলেন, “আমরা সেখানে উপযুক্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনা করবো। কিন্তু আমি বলতে চাই, খারাপ চুক্তির চাইতে কোনো চুক্তিতে উপনীত না হওয়াই বরং ভালো। তাই আমাদের ওয়াক-আউটের প্রস্তুতিও রাখতে হবে।”
মে এর আগেও প্রয়োজনে ইইউর সঙ্গে কোনো চুক্তিতে উপনীত না হওয়ার ইচ্ছার কথাও বলেছেন।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ইইউভূক্ত অন্যান্য দেশকে সংগঠনটি ছেড়ে যেতে অনুৎসাহিত করতে ব্রাসেলস কঠোর অবস্থান গ্রহণের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যকে শাস্তি দিতে চাইতে পারে। অন্য দিকে করবিন বলেন, সেখানে একটি চুক্তি হতে যাচ্ছে। একটি চুক্তিতে উপনীত হওয়ার বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করবো। নির্বাচনের আগে জনমত জরিপগুলোতে ব্রেক্সিট আলোচনায় করবিনের চাইতে মের উপরই যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের আস্থার বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে। যদিও গত সপ্তাহে একটি জনমত জরিপে করবিনের ব্যবধান কমিয়ে আনার চিত্র উঠে এসেছে।

 

সাম্প্রতিক