mitur-pচট্টগ্রাম : মাহমুদা খানম মিতুর বাবা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন ও মা শাহেদ মোশাররফ সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু কেন খুন হয়েছেন তা তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছেন । হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ‘পরকীয়া’র কোনো ঘটনা আছে কিনা তাও খুঁজে বের করার জন্য পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

তদন্ত কর্মকর্তার ডাকে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর ডিবি কার্যালয়ে এসে উল্টো তদন্ত কর্মকর্তার কাছেই মেয়ে হত্যার কোনো কারণ খুঁজে পেয়েছেন কিনা তা জানতে চান তারা। তদন্ত কর্মকর্তা সিএমপির অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার মো. কামরুজ্জামানও মিতুর বাবা-মার কাছে জানতে চান তারা মেয়ে হত্যায় কাউকে সন্দেহ করেন কিনা।

চার ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, মিতুর বাবা-মার কাছ থেকে সন্তোষজনক উত্তর পেয়েছেন তিনি। এসব উত্তর মামলার তদন্ত কাজে সহায়ক হবে।

এদিকে শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম না আসায় বাবুল আক্তারের ওপর খানিকটা ক্ষুব্ধ হয়েছেন তার শ্বশুর মোশাররফ হোসেন। এছাড়া মিতু হত্যার মামলা সম্পর্কেও কোনো ধরনের কথা না বলায় বাবুল আক্তারের শ্বশুর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার মো. কামরুজ্জামানের কক্ষে প্রবেশ করেন। এরপর টানা চার ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় মিতুর বাবা-মাকে।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মিতুর মা শাহেদা মোশাররফ বলেন, মামলা সম্পর্কে তদন্ত কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। আমার মেয়ের স্বভাব-চরিত্র কেমন ছিল তা তদন্তকারী কর্মকর্তা জানতে চেয়েছেন। আমি বলেছি, মেয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তো, পর্দা করতো। বর্তমানে বাবুলের সঙ্গে যোগাযোগ আছে কিনা, নাতি-নাতনীদের সঙ্গে যোগাযোগ হয় কিনা তা জানতে চেয়েছেন। আমি বলেছি, একজন মেয়ে মানুষকে কারা মারল? কেন মারল? কে মারল? আমরা জানতে চাই। মিতু একজন নিরীহ মেয়ে ছিল। সংসার আর ছেলে-মেয়ে নিয়ে সে ব্যস্ত থাকত। মিতু চাপা স্বভাবের ছিল। অনেক বিষয় আমাকেও বলত না।

সাম্প্রতিক