fjhk65স্টাফ রিপোর্টার: কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে দুইপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফুলতলা স্টেশনে গত শনিবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে পেকুয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মঞ্জুর কাদের মজুমদার জানান। গুলিবিদ্ধদের মধ্যে মো. মোক্তার আহমদ (৩৮), মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (২৪), আসাফ উদ্দিন (৩০), মোহাম্মদ করিম (১৫), আবু হানিফ (৩২) ও জসিম উদ্দিনকে (৫০) কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এরা হলেন- আবদুর রহমান ওরফে ভেট্টো (৬০), ওয়াহেদ উদ্দিন (৩৫), নাজিম উদ্দিন ( ৪৩) ও শিহাব উদ্দিন (৪০)। পরিদর্শক মঞ্জুর বলছেন, আহতদের মধ্যে তিনজন পেকুরার মগনামার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিমের অনুসারী। বাকিরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল আজিম বাবুলের সমর্থক। বাবুল বর্তমানে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্ব্য়ক কমিটির সদ্যস্য। এলাকার কর্তৃত্ব নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াসিমের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষ হয় বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।

পরিদর্শক মঞ্জুর বলেন, রাতে দুই পক্ষের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষে শুরু হলে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পেকুয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান বলেন, হাসপাতালে ভর্তির পর ছয়জনের অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আনোয়ারুল বলেন, মগনামা ইউনিয়নের মাঝের পাড়া শাহ রশিদিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি পদে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াছ ও আওয়ামী লীগের নেতারা আমার নাম সুপারিশ করেন। কিন্তু স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াসিম জেলা আওয়ামী লীগের কতিপয় প্রভাবশালী নেতাদের যোগসাজশে আমার বিরোধিতা শুরু করেন। এ নিয়ে বিরোধ চলছিল। রাতে ওয়াসিমের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে আমার এলাকায় এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে ১০ জন আহত হয়। অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াসিম বলেন, “আনোয়ারুল স্থানীয় বেড়িবাঁধ নিয়ন্ত্রণে রেখে স্থানীয়দের কাছ চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। এ নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধলে কয়েকজন আহত হয় বলে শুনেছি।

সাম্প্রতিক