নাইম আবদুল্লাহ: অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাসী প্রজন্মের মধ্যে বাঙালি সংস্কৃতি চর্চা ধরে রাখতে অনুষ্ঠিত শিশু-কিশোরদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা হয়েছে।

স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় সিডনির ওরিয়ন ফাংশন সেন্টারে প্রবাসী সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘দিগন্ত’ এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

এর আগে গত পহেলা অক্টোবর সিডনির ব্যাংকসটাউন সিনিয়র সিটিজেন সেন্টারে প্রতিযোগীদের বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। বাছাই পর্ব শেষে মোট ২১ জন প্রতিযোগী চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেন।

cul2-fontপ্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আসা চিত্রনায়ক ফেরদৌস, নৃত্যশিল্পী শামিম আরা নিপা ও কণ্ঠশিল্পী কনা। নতুন প্রজন্মকে উৎসাহ দিতে অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বেও অংশ নেন তারা।

গ্রুপ-এ গানে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছেন ঈশিতা, ইশান ও আদ্রিতা। গ্রুপ-বি গানে প্রথম মিষ্টি ও সামানা, দ্বিতীয় মিথর সাহা এবং অরনা দত্ত তৃতীয় হয়েছেন। অন্যান্য প্রতিযোগিতায় সুমারা প্রথম, রিমি রহমান দ্বিতীয় ও নুসাবা রহমান তৃতীয় হন।

বড়দের পরিবেশনায় নাবিলা ও ফাবিহা প্রথম, রাসনা ও স্নেহা দ্বিতীয় এবং নিলাদ্রি ও সুদিপ্ত তৃতীয় হয়েছেন।

প্রতিযোগিতার শেষে বিজয়ীদের ট্রফি ও অংশ নেওয়া সব প্রতিযোগীদের সনদ দেওয়া হয়।

তবে এ অনুষ্ঠানে প্রবেশ নিয়ে আয়োজকদের ‘অসৌজন্যমূলক’ আচরণ প্রবাসী সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ।

সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানে মোবাইল মেসেজে প্রবাসী সাংবাদিকদের ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর প্রবেশের সময় টিকেট না কেটে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

তাদের জন্য বিশেষ কোনও বসার ব্যবস্থাও ছিলো না। নানা ধরনের অরাজকতা চোখে পড়েছে অনুষ্ঠান আয়োজনেও। 

এক পর্যায়ে নিরাপত্তা কর্মীরা সাংবাদিকদের প্রবেশ পত্র পরীক্ষার পর তাঁদেরকে অনুষ্ঠানের পেছনের সারিতে গিয়ে বসার নির্দেশ দেয়।
 
সিডনি থেকে প্রকাশিত স্বাধীন কণ্ঠ ও বাংলাকথা’র সম্পাদক আউয়াল খান এ প্রসঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের প্রতি আয়োজকদের এহেন দুর্ব্যবহার কখনই মেনে নেয়া যায় না।”
 
সময় টিভির অস্ট্রেলিয়া প্রতিনিধি এস এম রুবেল দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, "আয়োজকরা সময় টিভির নামই নাকি শোনেননি!"
 
ফারজানা ইউসুফ লিটা প্রতিযোগী, আয়োজক কমিটি ও স্পন্সরদের ধন্যবাদ জানালেও স্থানীয় মিডিয়া ও টিভি চ্যানেলকে কোনও ধরনের ধন্যবাদ পর্যন্ত জানাননি।

সাম্প্রতিক