pope-bdআন্তর্জাতিক ডেস্ক: ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের বাংলাদেশ সফরের বিস্তারিত সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার ভ্যাটিকান সিটির পক্ষ থেকে ঘোষিত সূচি অনুযায়ী নভেম্বরের ৩০ তারিখ থেকে ডিসেম্বরের ২ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করবেন তিনি। আগেই জানানো হয়েছিলো নভেম্বরের শেষদিকে দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশে আসবেন এই ধর্মগুরু। এবার মঙ্গলবারের বিবৃতিতে নভেম্বরে ২৭ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত মিয়ানমারে অবস্থান করবেন পোপ।

চলতি বছরের আগস্ট মাসে বাংলাদেশে ভ্যাটিক্যানের রাষ্ট্রদূত আর্চ বিশপ জর্জ কোচেরিও পোপের বাংলাদেশ সফরের বিষয়টি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছিলেন। ওই মাসের প্রথম সপ্তাহে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বেনার নিউজের খবরে বলা হয়েছিল, পোপের সফর নিয়ে ভ্যাটিকান প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশি কর্মকর্তারা। মন্ত্রণালয়ের ইউরোপিয়ান ডেস্কের ইনচার্জ মোহাম্মদ খোরশেদ খস্তগীর সে সময় বেনার নিউজকে জানান, ‘নভেম্বরের শেষ দিকে পোপ বাংলাদেশ সফরে আসবেন। নিরাপত্তার খাতিরে আমরা নির্দিষ্ট কোনও তারিখ বলছি না।’ তবে সফর ঘনিয়ে আসার পর ভ্যাটিক্যানের পক্ষ থেকে এর বিস্তারিত সূচি ঘোষণা করার খবর দিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
বিজনেস ইনসাইডার-এর খবরে ভ্যাটিক্যানকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ২৭ নভেম্বর মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে পৌঁছানোর পর সেখানকার সফর শেষে ৩০ তারিখ বাংলাদেশে আসবেন পোপ ফ্রান্সিস। ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশে বিমানবন্দরে নেমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করবেন পোপ ফ্রান্সিস। এদিন অন্যান্য কূটনীতিকের সঙ্গেও দেখা করবেন তিনি।
সফর সূচি অনুযায়ী, ১ ডিসেম্বর এক গণমিছিলে অংশ নেবেন পোপ। এদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে তার। একইদিনে বিশপসহ অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।
সফরের শেষদিন ২ ডিসেম্বর পোপ মাদার তেরেসা পরিচালিত মিশনারিগুলো প্রদর্শন করবেন। সেখানে পোপ ফ্রান্সিস পাদ্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন। অংশ নেবেন সেমিনারে। সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ত্যাগের আগে তরুণদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।
উল্লেখ্য, জন পল (টু) প্রথম পোপ হিসেবে বাংলাদেশ সফর করেছিলেন। ফ্রান্সিসের সফরের পর তিনি হবেন ৩১ বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশ সফরকারী দ্বিতীয় পোপ।

 

সাম্প্রতিক